ভুমিকম্প,কেয়ামত, আসলেই কেয়ামত হবে কি ? কেয়ামতের আসল আলামত গুলো আসলে কি কি ? হ্যা এটা আপনার দেখা দরকার।

আজ সহ গত দুদিন ভুমিকম্পের পর সবথেকে বেশী চোখে পড়ছে যে ধরনের কথাগুলো তাতে একবার চোখ বুলিয়ে নেই আসুন আগে।

১। আল্লাহর গজব নেমে আসছে

২। কেয়ামত খুবি দ্রুত চলে আসছে, আমাদের প্রস্তুতি নেয়া দরকার

৩। আর বেশী সময় হাতে নেই, এই ভুমিকম্পেই মাটির সাথে মিষে যাবো আমরা।

মোটামুটি বিভিন্ন ভাবে বলা হলেও মুল কথা গুলো আসলে ঘুরে ফিরে এগুলোই। এ কারনে যারা লিখছেন তাদের কোনভাবেই দোষ দেয়া যাবে না। ভয় পেয়েই লিখছেন সবাই। ভয় সবাই পায়, এক জিনিষ কে ভয় না পেলেও অন্য কিছুকে অবশ্যই ভয় পায় প্রতিটা জীব ই। সে বনের বাঘ হোক, অথবা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। উদাহারন নেবেন ? এই ধরুন ফাজলামী ডট কম প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে ভন্ডামীর মুখস খুলে দেয়ার, অনলাইনে চোর বাটপার দের জারিজুরি ফাস করে দেবার, তাদের দারা ক্ষতি হতে পারে সে ভয় না করেই। হ্যা খানিক টা সুবিধে লেখক রা পাচ্ছেন ই, কারো কোন পরিচয় ই প্রকাশ পাচ্ছে না, নিজেদের গোপন রাখতে পারছেন, প্রাইভেসীর স্বার্থে, ভয় পেয়ে না। কিন্তু তারা অন্ধকার রাস্তায় অস্র হাতে সন্ত্রাসীদের সামনে পড়ে গেলে ভয় পাবেন ই। সো ভয় পাওয়া টা অন্যায় না।

এখন আসুন আমরা দেখি ভয় পাবা টা আসলে ঠিক কতটা যুক্তিসংগত ?

ভুমিকম্প হচ্ছে, পর পর দুদিন হলো, এটা কি আলামত না ?

জাপানের কিছু শহরে সেই অনেক কাল থেকেই প্রায় দিন ই ছোটখাটো ভুমিকম্প হয় , তাদের কেয়ামত হলো না, আপনার হবে কেন ? যাহোক ব্যাপার টা আলামত নিয়ে, তো চলুন মন দিয়ে একবার কেয়ামতের আলামত গুলো দেখে আসি। স্কিপ করবেন না, প্রতিটা লাইন জেনে রাখা দরকার আপনার।

কেয়ামতের আলামত গুলোকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করা যায়। ছোট বা বড়। নিচে দেখুন

কিয়ামতের  ছোট  আলামত:

ছোট  আলামত সম্পর্কে  হাদিসে  বর্ণিত হয়েছে,  কেয়ামতের পূর্বে  দাস- দাসীর  অধিক সন্তান প্রসব  হওয়া , অজ্ঞ,   অসভ্য,    নব্য   সম্পদশালীদের  রাজত্ব ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত  হওয়া ,  মসজিদে খেলাধুলা  করা , সাক্ষাতের  মুহুর্তে সালামের  পরিবর্তে অশ্লালীন ও  অমার্জিত   কথাবার্তা  বলা,  মিথ্যাকে অলংকার  হিসেবে গ্রহন  করা,    বিশ্বস্থতা  বিলুপ্ত হওয়া ,  ব্যাভিচারে লিপ্ত হওয়া ,  লজ্জা-শরম বিদায় নেওয়া,  লম্পট ও  ফাসেকদের  জ্ঞান-বিজ্ঞান  অর্জন করা,  মুসলমানদের উপর কাফেরদের আক্রমণ,  অত্যাচার,   নির্যাতন,  জুলুম  বেদাত ও কুসংস্কার  বৃদ্ধি পাওয়া । নিজ  স্ত্রীকে ছেড়ে পর  নারীর পিছনে  এবং   নিজ  স্বামী ছেড়ে  পর পুরুষের   পিছু  ছুটা,  অসভ্য,  অসৎ,   দুশ্চরিত্রবান  মানুষের প্রাধান্য  পাওয়া,  ন্যায়  বিচারের  পরিবর্তে অন্যায় বিচার , প্রকাশ্যে মদ্যপান,  জুয়া,  জীনা ইত্যাদি কিয়ামতের  অন্যতম আলামত। এ ছাড়াও

কেয়ামতের ছোট ছোট আলামতগুলোর অন্যতম হলো-

১. এমন কিছু ঘটনা ঘটবে যা পূর্বে কখনো ঘটেনি এবং ঘটার কোন ধারণাই ছিল না।২. অমুসলিমদের হাতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ সম্পদ আহরিত হবে।৩. মানুষ তার বাসস্থানকে শিল্প কারুকার্জ দিয়ে সুশোভিত করাকে গুরুত্ব দিবে।৪. জমিনের অংশসমূহ নিকটবর্তী হয়ে যাবে।

৫. শিক্ষায় বিপ্লব ঘটে যাবে কিন্তু দ্বীনি শিক্ষা সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যাবে।

৬. মহিলারা অশ্লীলতায় ডুবে যাবে। মহিলাদের সৌন্দর্য চর্চা কেন্দ্রের ব্যাপক বিস্তার ঘটবে।

৭. মহিলারা পুরুষের আকৃতি ধারণ করবে আর পুরুষ মহিলার আকৃতি ধারণ করবে।

৮. কিছু মুসলমান মদ পান করবে অন্য নামে।

৯. মানুষের মধ্যে সুদের ব্যাপক বিস্তার হয়ে যাবে।

১০. অভিনন্দন ও অভিবাদন মানুষের কাছে অভিশাপ হয়ে যাবে।

১১. জমিনের বিভিন্ন অংশে ভূমিকম্প বৃদ্ধি পাবে।

১২. হঠাত্ মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাবে আর হত্যা বৃদ্ধি পাবে।

১৩. মানুষ কথায় সুন্দর হবে, আর কাজে অসুন্দর হবে।

১৪. কন্যা সন্তানরা তার মাকে শাসন করবে এবং মায়ের অনুকরণীয় হবে।

১৫. বেপর্দা ব্যক্তিরাই সমাজের নেতৃত্ব দিবে।

১৬. সমাজের নিকৃষ্ট এবং রাখাল শ্রেণীর লোকেরা সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ করবে।

১৭. জগতের লোকেরা সুউচ্চ টাওয়ার নির্মাণে একে অপরে প্রতিযোগিতা করবে।

১৮. মানুষ তার সন্তানের চাইতে কুকুর লালন পালনকে বেশি প্রাধান্য দিবে।

১৯. নারীরা চুলের খোপা মাথার ওপরে এমনভাবে বাঁধবে যেন উটের পিঠের উঁচু জায়গার মতো দেখাবে।

২০. দুনিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা অতিদ্রুত ও সহজ হয়ে যাবে।

২১. সময় তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যাবে।

২২. দাসী ও সমাজের নিকৃষ্ট মেয়েরা যে সন্তান জন্ম দেবে সে সমাজের অন্যতম নেতা হবে।

২৩. অবৈধ জারজ সন্তানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ।

২৪. সমাজে সম্মানিত কুলীন ভদ্রলোকগুলো কোণঠাসা হয়ে যাবে আর নিকৃষ্ট অসম্মানী লোকগুলো বেপরোয়া সাহসী হবে।

২৫. বড়কে সম্মান করবে না। ছোটকে স্নেহ করবে না।

২৬. সমাজে নেতা নেতৃত্ব বেড়ে যাবে বিশ্বস্ততা কমে যাবে।

২৭. উলঙ্গ আর বেহায়াপনার প্রতিযোগিতায় নারীরা ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হবে।

২৮. জেনা ব্যাভিচার আর মদপান বেড়ে যাবে।

২৯. প্রকৃত আত্মীয়দের ছেড়ে বন্ধু-বান্ধবদের আতিথেয়তা বেড়ে যাবে।

৩০. সমাজে ফাসাদ দুর্নীতি ব্যাপক আকার ধারণ করবে।

৩১. অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতা নির্বাচিত হবে।

৩২. মসজিদগুলো চাকচিক্য ও জাঁকজমকপূর্ণ হবে। লোকেরা পরস্পর মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে।

৩৩. ঘন ঘন বাজার/মার্কেট নির্মিত হবে।

৩৪. সহজ সরল ব্যক্তিরা অবহেলার পাত্র হবে আর প্রতারকদের চালাক চতুর বলে প্রশংসা করা হবে।

৩৫. দুনিয়ার সম্মান ও সম্পদ অর্জনের জন্য ইসলামী জ্ঞান (ইলম) শিক্ষা ও প্রচার করা হবে।

৩৬. ইহুদী, খৃস্টানদের মত মুসলিমদেরও লক্ষ্য, উদ্দেশ্য হবে দুনিয়ার সম্পদ, সম্মান আর ক্ষমতা অর্জন।

কিয়ামতের বড় বড় আলামত সমূহ :

ঈমাম মাহদীর আগমন :

মহাপ্রলয় বা কিয়ামতের  পূর্বে ঈমাম  মাহদীর  আগমন সন্দেহাতীত ভাবে নিশ্চিৎ । তাঁর কপাল প্রশস্ত ও নাক হবে উঁচু । তিনি  পৃথিবীতে ন্যায় বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন।  তার রাজত্ব কাল হবে মাত্র ৭ বছর ।

আরবের শাসক :

আব্দুল্লাহ ইবনে  মাসুদ থেকে বর্ণিত রাসুল (সঃ) বলেছেন,  দুনিয়া ততদিন পর্যন্ত ধ্বংস হবে না , যতদিন পর্যন্ত না আমার পরিবার ভুক্ত এক ব্যক্তি আরবের শাসক হবে । তার নাম  হবে আমারই নামের অনুরুপ। ( তিরমিযী)

হযরত আবু হুরায়রা (রঃ) থেকে  বর্ণিত আছে যদি কিয়ামত হওয়ার একদিনও বাঁকি থাকে তবে  আল্লাহ’তা আলা  একদিনকে  আরো দীর্ঘ করে দেবেন যাতে দুনিয়া ধ্বংস হওয়ার পূর্বে আমার পরিবার ভুক্ত এক ব্যক্তি আরবের শাসক হয়ে যায়।

ঈমাম মাহদীর পিছনে ঈসা (আঃ) এর  নামাজ আদায় :

আব্দুুল্লাহ ইবনে  অমর (রঃ) বলেন,  ঈসা  ইবনে মরিয়ম (আঃ)  ঈমাম মাহদীর পরে অবতরণ করবেন এবং ঈমাম মাহদীর পিছনে  নামাজ আদায় করবেন ।

দাজ্জালের আর্বিভাব:

কিয়ামতের পূর্বে  অবশ্যই দাজ্জালের  আর্বিভাব ঘটবে ।  দাজ্জালের জন্ম হবে এক ইহুদী  পরিবারে।  তার এক  চোখ  থাকবে  অন্ধ,  দ্বিতীয়  চোখটি  ভাল থাকলেও সেটা শুষ্ক কিচমিচ  দানা সদৃশ্য হবে।  শরীরের রং হবে লালচে। গঠন হবে কদাকার। মাথায়  চুল হবে চরম  কোঁকড়ানো  তার দেহেও অজস্য  চুল থাকবে।  দাজ্জাল    বেটে হবে  । তার উভয় পা হবে বক্র । সে মুসলামানদের  হত্যা করবে।  তার মুল- ঘাটি  হবে ফিলিস্তিনিদের নিকটবর্তী।  তার  কপালে আরবীতে লেখা থাকবে কাফ,ফে,র।

আনাস  ইবনে  মালিক(রাঃ) থেকে  বর্ণিত রাসুল (সঃ) বলেছেন ,  দাজ্জাল এসে মদিনার এক  প্রান্তে  অবতরণ   করবেন তখন তিনবার ভুমিকম্প হবে। এর পর সকল কাফের ও  মোনাফেক দাজ্জালের সহচর হয়ে যাবে। – (বুখারী )

হযরত ঈসা (আঃ) এর আগমন:

হযরত ঈসা (আঃ) কে আল্লাহ  পাক    পৃথিবীতে  প্রেরণ  করবেন। হযরত ঈসা(আঃ) এর  আগমনের  পর বিভিন্ন ঘটনা  পরিক্রমায় খ্রীষ্টান জাতি ইসলাম  ধর্ম গ্রহন করবে। হযরত ঈসা (আঃ) এর আর্বিভাবের পর  তিনি ৪০ বছর  দুনিয়াতে অবস্থান করবেন। এ সময় পৃথিবী সুখ ও শান্তিময় হবে।

রাসুল(সঃ) এর বর্ণিত কিয়ামতের  পূর্বে ১০ টি আলাতম:

হযরত  হুযায়ফা ইবনে  উসাইদ আল গেফারী(রঃ) বর্ণনামতে নবী করিম (সঃ) বলেছেন,  কিয়ামত ততোক্ষন পর্যন্ত কায়েম হবে না,  যতক্ষন পর্যন্ত তোমরা এর  পূর্বে ১০টি আলামত  প্রত্যক্ষ না করবে। (১)  অস্বাভাবিক ভাবে ধুয়া উৎগিরণ হওয়া (২) দাজ্জালের  আর্বিভাব  (৩)  দাব্বাতুল আরয,  অর্থ্যাৎ বিশেষ ধরনের  এক প্রকার  প্রানীর  উর্দ্ভ্যুদয় ঘটবে। যারা  অত্যন্ত দ্রুতগতি  সম্পন্ন হবে ।  (৪) পশ্চিম দিক থেকে  সুর্যোদয়  হবে। (৫)  হযরত ঈসা ইবনে  মরিয়ম (আঃ)  এর আকাশ থেকে  অবতরণ  (৬) ইয়াযুয-মাযুজের  আর্বিভাব।  (এরা  এমন একটি  জাতি  ছিল  যারা  পাশ্ববর্তী জনসধারনের  উপর  মাত্রাধিক  অত্যাচার করতো ,  ফসল ও ক্ষেত  ধ্বংস  করে দিত,  শিশু সন্তানদের  জীবিত  অবস্থায় খেয়ে  ফেলতো , এদের  অত্যাচার  থেকে  জনসাধারণ কে  রক্ষার জন্য আল্লাহ  পাকের  পক্ষ থেকে  বিশেষ  ক্ষমতা   প্রাপ্ত  হযরত  যুলকারনাইন (আঃ) সীসা  ঢালা প্রাচীর  নির্মাণের  মাধ্যমে  আটকিয়ে দিয়েছেন।  এরপর  থেকে  প্রতিদিনই তারা  ঐ  প্রাচীর  ভাঙ্গার  প্রচেষ্টায় লিপ্ত কিন্তু প্রাচীর  ভাঙ্গতে  পারে না।  কেয়ামতের   পূর্বে  ইনশাল্লাহ বলে ঐ  প্রাচীর ভেঙ্গে তারা  লোকালয়ে  প্রবেশ করবে  এবং  তারা তান্ডব পরিচালনা  করবে)।  (৭)  তিনটি  ভুমি ধ্বস হবে । (৮) ভুমিধ্বস  একটি  পুর্বদিক  থেকে  একটি  পশ্চিম দিক থেকে  (৯)   অপরটি আরব  উপদ্বীপ  থেকে  (১০)   সর্বশেষ একটি  অগ্নি যা ইয়ামন থেকে  উত্থাপিত হবে এবং সবাইকে হাকিয়ে  অগ্নি তাদের  হাশর  পর্যন্ত নিয়ে যাবে।

এর মধ্য একটা লাইন ভুল লিখলাম কিনা তা জানার জন্য ফোন টা হাতে নিয়ে এলাকার মসজিদের ইমামের কাছে চলে যান, তাকে দেখিয়ে জিগেস করেন ফাজলামী ডট কম বানিয়ে লেখে কিনা, ভুলভাল লেখে কিনা।

আমি সিম্পলী জিগেস করবো আপনাকে, এর মধ্য কটা হয়েছে এখন পর্যন্ত ?

জী, ছোট গুলো অনেক গুলো হচ্ছে রোজ তা দেখছি নিজের চোখেই, প্রশ্ন হচ্ছে বড়গুলো হইছে কি ?

জী না, হয় নি, এখন পর্যন্ত আপনার আমার মত অনেক লোক ই দিনে অন্তত একবার হলেও মহান আল্লাহ তায়ালা কে স্বরন করেন। এলাকার মসজিদে নামাজের সময় যাতায়েত থাকলে জানেন মুসলমান শব্দ টা আসলেই এখন পর্যন্ত মুছে যায় নি । যতক্ষন পর্যন্ত পুরো দুনিয়াতে একজন লোক থাকবে আল্লাহর নাম নেবার জন্য, ততক্ষন পর্যন্ত কেয়ামত হবে না। কথা টা কার তাও জিগেস করবেন ইমাম সাহেব কে। ফাজলামী ডট কমের কারো না আল্লাহত নবীর।

 

এখন আপনি কি করতেছেন  ?

উপরের কথা গুলো বিশ্বাস না করে কেয়ামত কেয়ামত বলে চেচাচ্ছেন ? ভাবুন ঠিক কার কথার বিরোধীতা করছেন আপনি, নিজের, আমার না মহান স্রষ্টার।

 

এবার আরেক টা পয়েন্ট, ভুমিকম্প হচ্ছেই তো, তাই না ? জী ভায়া হচ্ছে, নেপালে হচ্ছে, সেখানে হাজারের উপরে লোক হতাহত হয়েছেন, আহত কত তার কোন হিসেব নেই। এতগুলো আল্লাহর বান্দা, আল্লাহর সৃষ্টি মারা গেলো,আর এখন পর্যন্ত আপনি আপনার কিছু না হবাতেই কি হবে ভেবে ভয়ে তরপাচ্ছেন ?

 

কি করবেন এখন ?

১। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানান, আপনার শহরে এখনো কোন বড় মাত্রার ভুমিকম্প হয় নাই।

২। ধর্মকর্মে মন দেন, ভুমিকম্পে না মরেন, মরবেন কইলাম শিওর, কেয়ামত না আসুক, আপনি মইরা গেলে কালকে আসবে না হাজার বছর পর তাতে কিছুই ডীফারেন্স নাই।

৩। ফেসবুকে বা কোথাও মানুষ কে ভয় দেখায়েন না, কি লাভ ভাই সুধু সুধু ভয় দেখিয়ে, আমি উপরের কথাগুলো লিখছি কি বুঝেন নাই এতক্ষনে ?

৪। উল্টোপাল্টা ভেবে , অহেতুক ভয় পেয়ে, কেয়ামত হচ্ছে ভেবে আপনার বন্ধুটি হয়তো কোন ভুল/পাপ করে চলছে, এই পোস্ট টা শেয়ার করে তাকে দেখার সুযোগ করে দিতেন, ভালো কাজ করতে টাকা লাগে না, একটু সদইচ্ছাই যথেষ্ট।

৫। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খেটে অনেক কষ্টে পোস্ট টা ফাজলামী ডট কমের জন্য লিখলাম, দয়া করে চুরি কপি করবেন না। চোর কে কেউ ই পছন্দ করেন না, না মানুষ, না আল্লাহতায়ালা। আপনি বরং শেয়ার করুন নিচের শেয়ার বাটন গুলো ব্যাবহার করে। ধন্যবাদ।